admin
- ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ / ৫ Time View

গত ৭সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে কে বা কারা গলা কেটে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করার পর সাঁথিয়া থানার মাজগ্রামের একটি পুকুরে লাশ ফেলে রেখে যায়।
Reading Time: 2 minutes
নিজস্ব সংবাদদাতা, পাবনা :
পাবনার সাঁথিয়ায় চাঞ্চল্যকর আব্দুল আজিজ (৫৫) হত্যা মামলার রহস্য উদঘাটন করেছে সাঁথিয়া থানা পুলিশ। হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত ৩জন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছ। তাদের কাছ থেকে নিহত আজিজের কাছ থেকে লুন্ঠন করা টাকা উদ্ধার করা হয়েছে।
গত ৭সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে কে বা কারা গলা কেটে ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করার পর সাঁথিয়া থানার মাজগ্রামের একটি পুকুরে লাশ ফেলে রেখে যায়। পরদিন ৮সেপ্টেম্বর সকাল ৯টার দিকে ঐ পুকুরে এক ব্যক্তির মৃতদেহ ভাসমান অবস্থায় দেখতে পান স্থানীয়রা। খবর পেয়ে সাঁথিয়া থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আজিজের গলাকাটা এবং ঘাড় ও পিঠে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন লাশ উদ্ধার করে। এ ঘটনায় ৯সেপ্টেম্বর সাঁথিয়া থানায় ধারা-২০১/৩০২/৩৪ পেনাল কোড একটি মামলা রুজু করা হয়। যার নম্বর-১১।
মামলার তদন্তকালে তথ্যপ্রযুক্তি ও বিভিন্ন কৌশল অবলম্বন করে হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত সেলিম প্রামাণিক (৪০), মুনসুর আলী (৩৪) এবং আকাশ (২১)কে গ্রেফতার করা হয়।
গ্রেফতারকৃত সেলিম ও মুনসুর আলীকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করে রিমান্ডের আবেদন করা হলে আদালত তাদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ড মঞ্জুর করেন। রিমান্ডে জিজ্ঞাসাবাদে আসামিরা হত্যাকাণ্ডে জড়িত থাকার বিষয় স্বীকার করে বিস্তারিত বর্ণনা দেয়। এ সময় আসামী সেলিম প্রামাণিকের হেফাজত থেকে ভিকটিমের নিকট হতে লুষ্ঠিত ৪ হাজার ৫শ টাকা উদ্ধার এবং আসামী আকাশকে গ্রেফতার করা হয়।
উল্লেখ্য ভিকটিম আব্দুল আজিজ সরদার (৫৫) ছোট পরিসরে পিয়াজের ব্যবসা করতেন। অবিবাহিত আব্দুল আজিজ নিজের পরিহিত লুঙ্গির কোচরে সব সময় টাকা রাখতেন। আসামীরা ভিকটিম আব্দুল আজিজ সরদারের কাছে টাকা থাকার বিষয়টি জানতেন। আজিজের কাছে থাকা টাকা নেয়ার জন্যই গত ৭সেপ্টেম্বর রাত সাড়ে ৯টায় আসামিরা তাকে হত্যা করে। তার কাছে থাকা ব্যবসায়ীক টাকা লুন্ঠন করে । লুণ্ঠিত টাকা ভাগাভাগি করে আসামিরা প্রত্যেকে ৬হাজার করে পায়।গ্রেফতারকৃত আসামী সেলিমের কাছ থেকে তার ভাগে পাওয়া ৬হাজার টাকার মধ্যে ৪হাজার ৫শ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। সেলিম জানায়,সে তার ভাগে ৬হাজার টাকা পেয়েছিলো, তার মধ্যে ১হাজার ৫শ টাকা খরচ করেছে। আসামী মুনসুর জানায়, সেও তার ভাগে ৬হাজার টাকা পেয়েছিলো। ভাগে পাওয়া সব টাকা পারিবারিক কাছে খরচ করেছে। আসামী আকাশ জানায়, তাকে ৪ হাজার টাকা দেয়া হয়েছিলো। অবশিষ্ট টাকা পলাতক আসামীরা নিয়ে পালিয়ে যায়। পলাতক আসামি গ্রেফতার ও আলামত উদ্ধারের জন্য অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

আজিজ হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতার ও জবানবন্দি প্রদানকারী আসামিদের পরিচয় হলো- সাঁথিয়া থানাধীন ডাঙ্গা মাজগ্রাম গ্রামের দুলাল প্রামানিকের ছেলে মোঃ মুনসুর আলী (৩৪), একই গ্রামের আবু সামাদ প্রামানিকের ছেলে মোঃ সেলিম প্রামাণিক (৪০) ও উত্তর মাজগ্রামের হুমিস আলী প্রামানিকের ছেলে মোঃ আকাশ মোল্লা (২৯)।
আজিজ হত্যাকাণ্ডে গ্রেফতার ও জবানবন্দি প্রদানকারী আসামিদের পরিচয় হলো- সাঁথিয়া থানাধীন ডাঙ্গা মাজগ্রাম গ্রামের দুলাল প্রামানিকের ছেলে মোঃ মুনসুর আলী (৩৪), একই গ্রামের আবু সামাদ প্রামানিকের ছেলে মোঃ সেলিম প্রামাণিক (৪০) ও উত্তর মাজগ্রামের হুমিস আলী প্রামানিকের ছেলে মোঃ আকাশ মোল্লা (২৯)।
Post Views: 7